মৌলভীবাজারে ইজারা দেওয়া জলাশয়ের মাছ লু*ট

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি::

প্রকাশিত:

মৌলভীবাজারে ইজারা দেওয়া জলাশয় থেকে প্রকাশ্যে মাছ লুট করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কেউ মাছের এই হরিলুট দেখছেন কেউ আবার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন কার থেকে কে বেশি মাছ ধরতে পারেন। আর এতে অংশ নেয় মৌলভীবাজারের খলিলপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে লোকজন। 


অথচ দিনদুপুরে সরকারের ইজারা দেওয়া জলাশয় থেকে মাছ লুট করা হচ্ছে। স্থানীয় ৩/৪টি গ্রামের মানুষ মাছ ধরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।


বুধবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর আফরোগঞ্জ পৃর্ব বেরি বদ্ধ বিল থেকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা মাছ লুট করা হয়েছে। 


জানা যায়, বুধবার সকালে বিলের ইজারাদার খবর পান তার বিলের মাছ লুটপাট করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি তিনি স্থানীয শেরপুর পুলিশ ফাড়ি ও উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে দুপুর ১২টায় ওই বিলে অবস্থান নেয় স্থানীয শেরপুর পুলিশ ফাড়ি। কিন্ত তাতে কোনোও লাভ হয়নি। খলিলপুর বিলের আশপাশে প্রায় ৩/৪ গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে জলমহালটির ৫ লক্ষ টাকার অপরিপক্ষ মাছ লুট করে নেন।


কাদির নামের আরেকজন বলেন, ‘বিল থেকে সখে বশে একটা মাছ ধরেছি। বাসায় নিয়ে খাবো।’ কুশিয়ারা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির লি: এর সভাপতি বিলের ইজারাদার পরবেশ আলী বলেন, ‘আমাদের সব শেষ। প্রশাসনের নিদেশে মৌলভীবাজার শেরপুর আইনপুর মৌজার পূর্ব বেরি বিল বেদ্ধ) ২৪.৯১ একর জলমহাল গত ৫মে/২৩ ইং হতে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইজারা গ্রহন করে মাছ চাষ করে আসছি। কিন্ত দিনদুপুরে আমাদের বিলের মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন আজ সক্রিয় থাকায় বিপুল ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি।


মৌলভীবাজার শেরপুর পুলিশ ফাড়ির এসআই সোহাগ মিয়া বলেন, ‘ ১১টায় শেরপুর সদও পুলিশ ফাড়ির পুলিশ, টিমসহ আমরা বিলে অবস্থান করি, যাতে কেউ লুটপাট করতে না পারে। কিন্তু সেখানে এত পরিমাণ মানুষ যে আমরা তাদের সামাল দিতে চেষ্ঠা করি। তবে বিল মালিক অভিযোগ দিলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেবো। 


মৌলভীবাজার সদও উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু মিয়া চৌধুরী বলেন, আমি শুনেছি মৌলভীবাজার আইনপুর মৌজার পুর্ব বেরি বিল (বদ্ধ) এর আশপাশ এলাকার লোকজন (সৌখিন পালো বাওয়া) সরকারি ইজারা জমমহালের মাছ লুট করেছে এবং উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ফাড়ির পুলিশবাহিনীর সহযোগিতায় ব্যাপক ক্ষতি হাত থেকে রক্ষা পায়।

Follow Us